আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য জরুরী সতর্কতা জারি
বিশ্বের সেরা প্রযুক্তির স্মার্টফোন ‘অ্যাপল’ ব্যবহারকারীদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। অত্যাধুনিক সিকিউরিটি সিস্টেমের এই ফোন থেকেও এখন তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে অ্যাপস ট্র্যাকাররা। জনপ্রিয় ‘আইএসও’ অ্যাপসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য তাদের অজান্তেই ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
আইফোন নিরীক্ষণের সফটওয়্যার পর্যবেক্ষণের পর মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি ৫ হাজার ৪০০’র বেশি অ্যাপ ট্র্যাকারস ডিভাইস থেকে ব্যবহারকারীদের তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠানোর খবর জানতে পেরেছে।
এই অ্যাপসের মাধ্যমে একটি বিস্তৃত গন্তব্যের মধ্য থেকে ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেমন- আইফোন ব্যবহারকারীর ই-মেইল, ফোন নাম্বার, আইপি অ্যাড্রেস এবং ব্যবহারকারীর সুনির্দিষ্ট ঠিকানা ইত্যাদি।
অ্যাপ ট্র্যাকাররা রাতে এসব কাজ করে থাকেন। যখন এসব ডিভাইস ব্যবহারকারীরা ঘুমিয়ে থাকেন, বা স্মার্টফোনে কোনো কাজ করছেন না এরকম সময়।
এক্ষেত্রে তারা বিশেষ সুবিধা পায় অ্যাপলের ‘ব্যাকরাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ’ ফিচারে। যে অ্যাপসটি ব্যবহার করলে তথ্য বিনিময় করার অনুমতি দেয় ফিচারটি, প্রাথমিকভাবে এটি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে যে তারা অ্যাপে পুনরায় ফিরে যেতে চাইলে ‘আপ টু ডেট’ তথ্য ফিরে পাবেন।
যদিও আইফোন ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে উন্নত করতে সাধারণত এটি ব্যবহার করার কথা জানানো হয়েছে। তবে, অ্যাপসের এই প্রক্রিয়াটিতে ব্যবহারকারীরা পুরোপুরিভাবে সক্রিয় হওয়ার পর তারা সেটি বন্ধ করে দেয়। এবং অ্যাপে সংযুক্ত তথ্য ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে তৃতীয় পক্ষের ট্র্যাকিং কোম্পানিগুলোর কাছে হস্তান্তর করে ট্র্যাকাররা। যেমন অ্যাম্পলিউড, অ্যাপবয় এবং ডেমডেক্স এ ধরনের কাজগুলো করে থাকে।
এ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষের এসব কোম্পানির কাছে ১.৫ গিগাবাইট ডাটা সংরক্ষিত এবং শেয়ার করা হয়েছে।
আইফোন নিরীক্ষণের সফটওয়্যার পর্যবেক্ষণের পর মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি ৫ হাজার ৪০০’র বেশি অ্যাপ ট্র্যাকারস ডিভাইস থেকে ব্যবহারকারীদের তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠানোর খবর জানতে পেরেছে।
এই অ্যাপসের মাধ্যমে একটি বিস্তৃত গন্তব্যের মধ্য থেকে ব্যবহারকারীদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেমন- আইফোন ব্যবহারকারীর ই-মেইল, ফোন নাম্বার, আইপি অ্যাড্রেস এবং ব্যবহারকারীর সুনির্দিষ্ট ঠিকানা ইত্যাদি।
অ্যাপ ট্র্যাকাররা রাতে এসব কাজ করে থাকেন। যখন এসব ডিভাইস ব্যবহারকারীরা ঘুমিয়ে থাকেন, বা স্মার্টফোনে কোনো কাজ করছেন না এরকম সময়।
এক্ষেত্রে তারা বিশেষ সুবিধা পায় অ্যাপলের ‘ব্যাকরাউন্ড অ্যাপ রিফ্রেশ’ ফিচারে। যে অ্যাপসটি ব্যবহার করলে তথ্য বিনিময় করার অনুমতি দেয় ফিচারটি, প্রাথমিকভাবে এটি নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে যে তারা অ্যাপে পুনরায় ফিরে যেতে চাইলে ‘আপ টু ডেট’ তথ্য ফিরে পাবেন।
যদিও আইফোন ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে উন্নত করতে সাধারণত এটি ব্যবহার করার কথা জানানো হয়েছে। তবে, অ্যাপসের এই প্রক্রিয়াটিতে ব্যবহারকারীরা পুরোপুরিভাবে সক্রিয় হওয়ার পর তারা সেটি বন্ধ করে দেয়। এবং অ্যাপে সংযুক্ত তথ্য ব্যবহার করে ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়ে তৃতীয় পক্ষের ট্র্যাকিং কোম্পানিগুলোর কাছে হস্তান্তর করে ট্র্যাকাররা। যেমন অ্যাম্পলিউড, অ্যাপবয় এবং ডেমডেক্স এ ধরনের কাজগুলো করে থাকে।
এ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষের এসব কোম্পানির কাছে ১.৫ গিগাবাইট ডাটা সংরক্ষিত এবং শেয়ার করা হয়েছে।
কোন মন্তব্য নেই